সীকম গ্রুপের সিটি হল কোয়ারেন্টাইন হাউজ হিসেবে প্রদান

0
166

মাত্র কয়েকমাস আগেই করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাব ছড়িয়েছে পৃথিবীতে। প্রাণ বাঁচাতে ‘লকডাউনের’ মতো কঠোর সিদ্ধান্তেও যেতে হচ্ছে দেশগুলোকে। করোনা নামক রাক্ষুসে দানবের গতিপথ, ভৌগলিক আর সীমান্ত মাড়িয়ে ছুটে চলেছে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে।

আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানকে চ্যালেঞ্জের সন্মুখীন করে তোলা প্রাণঘাতী ভাইরাসটি মোকাবিলায় একজোট হয়ে নেমেছে বিশ্ব। অন্যান্যদের মত বাংলাদেশও সামর্থ্য অনুযায়ী গ্রহণ করেছে ব্যবস্থা। প্রার্দুভাব নিয়ন্ত্রণে সরকার, সশস্ত্রবাহিনী, সিভিল প্রশাসন,পুলিশ সহ সকলেই নেমেছেন একত্রিত হয়ে। বাদ যায়নি বিভিন্ন ব্যক্তি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। করোনা মোকাবিলায় পাশে দাঁড়িয়েছেন এমনই একটি প্রতিষ্ঠান সীকম গ্রুপ। এ গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সিটি হল কনভেনশন সেন্টারকে করোনা চিকিৎসায় ব্যবহারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তারা।
php glass

এ ব্যাপারে সীকম ও প্রিমিয়ার সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিরুল হক বাংলানিউজকে বলেন, করোনা মোকাবিলায় আমরাও পাশে থাকতে চাই। দেশের প্রতি দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে ‘সিটি হল কনভেনশন সেন্টার’টি করোনার চিকিৎসায় ব্যবহারে প্রশাসন, মেযর, ও সিভিল সার্জনের সঙ্গে কথা হযেছে এটিকে প্রয়োজনীয় উপযোগী করে তুলতে আমাদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে প্রস্তুত আছি।
ksrm

এ ব্যাপারে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বাংলানিউজকে বলেন, আপাতত দুটি স্থানকে কোয়ারেন্টিন সেন্টার হিসেবে প্রস্তুত করতে সেনাবাহিনী প্রস্তাবনা দিয়েছে। এ ব্যাপারে সিটি করপোরেশন থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতাও করা হবে। এছাড়া হালিশহরের সিটি হল কনভেনশন সেন্টারটি কিভাবে ব্যবহার করা যায় তা নিয়ে সিভিল সার্জনের সাথে আলাপ করছি। এটি আইসোলেশন না কোয়ারেন্টিন সেন্টার করা হবে অচিরেই আমরা একটি সিদ্ধান্ত জানাতে পারবো।

..চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন বাংলানিউজকে বলেন, বিদেশ থেকে কেউ আসলে তাদের কোয়ারেন্টিনে রাখতে বিভিন্ন জায়গায় কোয়ারেন্টিন সেন্টার প্রস্তুত করা হচ্ছে। তবে কোথায় কোন সেন্টার নির্মাণ করা হবে তা সেনাবাহিনী তদারকি করছেন। আমরা শুধু মেডিক্যাল সাপোর্ট দেবো।

এদিকে, সোমবার (২০ এপ্রিল) চট্টগ্রামে করোনা মোকাবিলায় ২৪ পদাতিক ডিভিশনের দায়িত্বরত অফিসারদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত পরামর্শমূলক এক মতবিনিয় সভা করেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। এসময় নগরের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ৩৫০ শয্যার ও আমিন জুট মিল সংলগ্ন টেক্সটাইল কলেজ ভবনে ৩০০ শয্যার কোয়ারেন্টিন সেন্টার হিসেবে প্রস্তুত করার জন্য সিদ্ধান্ত হয়।

এসময় প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর ড. নিছার উদ্দিন আহমদ মঞ্জু, চসিক সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, লে. কর্নেল শাহাজাত, মেজর মো. সালাউদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।