শুধুমাত্র লকডাউন হওয়া বাড়িগুলো দেখতে ঘরের বাইরে তারা

0
194

ক্রমেই বেড়ে চলা করোনা সংক্রমণের লাগাম টানতে যখন ব্যতিব্যস্ত সরকার। তখন সচেতনতার ছিটেফোঁটাও চোখে পড়ছে না রাজধানীর লকডাউনে থাকা অনেক এলাকায়। নিছক কৌতূহলের বশে অনেকেই বেরিয়ে পড়ছেন ঘরের বাইরে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তেমন কোনো কড়াকড়িও চোখে পড়েনি।

লকডাউনের মতো স্পর্শকাতর বিষয়টিকে এক প্রকার কৌতূহলে পরিণত করেছে আদাবরের ১৭ নম্বর সড়কটির বাসিন্দারা। কোনো প্রয়োজন ছাড়া শুধুমাত্র লকডাউন হওয়া বাড়িগুলো দেখতে ঘরের বাইরে বেরিয়েছেন তারা। যাদের অনেকেরই নেই প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত সুরক্ষা।

বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে বেরিয়ে আড্ডারত অনেকেই। অনেকেই ঘরের অবুঝ শিশুটিকে নিয়ে বেরিয়ে পড়েছেন ব্যক্তিগত কৌতূহল মেটাতে। এদের অধিকাংশেরই অবস্থান লকডাউন করা বাড়ির আশপাশ। তবে অজুহাতের শেষ নেই কারোই। অনেকে স্বীকার করলেও কেউ কেউ দোষারোপ করছেন টেলিভিশন ক্যামেরাকে।

একজন বলেন, এমনিতে আসছি, আমরা সাবধানে আছি কোনো সমস্যা নাই। আসলে আপনারা আসছেন, তাই একটু দেখতে আসছি।

আরেকজন বলেন, সারাদিন ঘরে ছিলাম। এখন ঘরে আর ভালো লাগে না, তাই একটু ঘুরতে বের হয়েছি।

তবে প্রতিদিনের মতো রাজধানী জুড়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর টহল ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে প্রধান সড়কে তাদের উপস্থিতি থাকলেও অলিগলি অরক্ষিত থাকার সুযোগ নিয়েছেন অনেকেই।

সেনাবাহিনীর এক সদস্য বলেন, করোনা নিয়ে যে বিধিনিষেধ এটা যেন সাধারণ মানুষ মেনে চলে। এ বিষয়ে আমরা কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছি। এছাড়া অপ্রয়োজনীয়ভাবে কেউ যেন বাসার বাইরে না হয়, সে ব্যাপারে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি।

পুলিশের এক সদস্য বলেন, বাজার করার সময় একজন ৩ ফুট দূরত্বে দাঁড়িয়ে বাজার করবে, এবং এক জায়গা দিয়ে ঢুকে, অন্য জায়গা দিয়ে বের হবে। তাহলে তেমন কোনো সমস্যা সৃষ্টি হবে না।

এদিকে, কাঁচাবাজারগুলোতে প্রয়োজনীয় কাজে বের হওয়া মানুষদের সচেতনতা বাড়াতে ও নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে কাজ করতে দেখা গেছে পুলিশ সদস্যদের।