Bangladesh News Network

শনিবার আসছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার আড়াই লাখ টিকা

0 3,855

টিকার বয়সসীমা ১৮তে নামিয়ে আনা হবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, সরকারের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণে অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার পর ফাইজার, মডার্না এবং সিনোফার্ম থেকেও কোভিড-১৯ এর টিকাপ্রাপ্তি নিশ্চিত হয়েছে।

এখন দ্রুত আরও বেশি মানুষকে টিকার আওতায় আনতে বয়সসীমা কমিয়ে আনা হবে।

এদিন সন্ধ্যায় কাতার এয়ারওয়েজের বিশেষ ফ্লাইটে যুক্তরাষ্ট্রের মডার্নার তৈরি করোনাভাইরাসের আরও ৩০ লাখ টিকা ঢাকায় পৌঁছে। এ নিয়ে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে বাংলাদেশকে মডার্নার ৫০ লাখ টিকা উপহার দিল যুক্তরাষ্ট্র।

শনিবার (২৪ জুলাই) বিকেলে দেশে আসছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ২ লাখ ৪৫ হাজার ডোজ টিকা। টিকার বৈশ্বিক প্লাটফর্ম কোভ্যাক্সের আওতায় এ টিকা আসবে বলে জানা গেছে।

এখনো ২য় ডোজ না পাওয়া ব্যক্তিদেরই এ টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
এরআগে গত সোমবার (১৯ জুলাই) স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, আগস্টের মধ্যে আরও ১ কোটি ২৯ লাখ টিকা দেশে পৌঁছাবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই এক কোটি ২৯ লাখ টিকার মধ্যে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ২৯ লাখ, সিনোফার্মের ৪০ লাখ এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের ৬০ লাখ টিকা রয়েছে। এরমধ্যে সিনোফার্মের ৪০ লাখ টিকার ১০ লাখ উপহার হিসেবে পাওয়া যাবে। বাকি ৩০ লাখ কেনা হয়েছে।

বাংলাদেশসহ বিশ্বে টিকা সরবরাহ বাড়িয়ে করোনাকে পরাজিত করা এবং কোভিডমুক্ত পৃথিবী গড়ার লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র অঙ্গীকারবদ্ধ।

২২ জুন হোয়াইট হাউস করোনার টিকার বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্সের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশের পাশাপাশি এশিয়ার ১৮টি দেশকে নতুন করে এক কোটি ৬০ লাখ টিকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে।

এছাড়া বিশ্বের আরও ৩০টি দেশ ও জোটকে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যে এক কোটি ৪০ লাখ টিকা দেবে, সেই তালিকায়ও রয়েছে বাংলাদেশের নাম।

জুনের ৩ তারিখ হোয়াইট হাউস আড়াই কোটি টিকা বণ্টনের ঘোষণা দিয়েছিল। তাতেও এশিয়ার দেশগুলোর জন্য ৭০ লাখ টিকা যেসব দেশে দেওয়া হবে, তার মধ্যে বাংলাদেশকে রাখা হয়েছে।

কোভ্যাক্সের পূর্ণাঙ্গ রূপ হলো কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনস গ্লোবাল অ্যাকসেস ফ্যাসিলিটি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ছাড়াও উদ্যোগটির সঙ্গে রয়েছে কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশন এবং দাতব্য সংস্থা গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই)।

এ উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে, ভ্যাকসিন মজুত করে না রেখে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সর্বোচ্চ ঝুঁকির দেশগুলোতে তা বণ্টন করার জন্য বিভিন্ন দেশের সরকারকে উৎসাহিত করা।

এর আগে চলতি মাসের প্রথমেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে মডার্নার ২৫ লাখ টিকা দেশে এসেছে। একই সঙ্গে চীন থেকে সিনোফার্মের ২০ লাখ টিকাও আসে। এরপরই সারা দেশে প্রথম ডোজের সিনোফার্ম টিকার প্রয়োগ শুরু হয়।

Comments
Loading...
%d bloggers like this: