মালয়েশিয়ায় মে দিবসে বাংলাদেশিসহ ২শ’ অবৈধ অভিবাসী শ্রমিক আটক

0
120

কোভিড ১৯ এর বিস্তারকে নিয়ন্ত্রণ করার প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে দেশটির অভিবাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ আদেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে বৃহতভাবে যৌথ অভিযান পরিচালনা করছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (১ মে) সকাল নয়টার দিকে দেশটির অভিবাসন বিভাগ, পুলিশ ও সেনাবাহিনীসহ প্রায় ৩ শতাধিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে কুয়ালালামপুরের মসজিদ ইন্ডিয়া ও মিনারা সিটি ওয়ানে যৌথ অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ২ শতাধিক বিদেশি অভিবাসীদের আটক করে।

সকাল থেকে শুরু হওয়া অভিযান দুপুর আড়াইটার দিকে শেষ হয়। পুলিশ মহাপরিদর্শক তান শ্রী আবদুল হামিদ বদর বলেন, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ (পিডিআরএম), ইমিগ্রেশন বিভাগ, মালয়েশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এই অভিযানে যুক্ত ছিলেন।

দেশটিতে থাকা অবৈধ অভিবাসীরা বিভিন্ন জায়গায় ছিটকে যায় তাহলে তাদের চিহ্নিত করা খুবই কষ্টসাধ্য হয় পড়বে। লকডাউন থাকা অবস্থায় তাদেরকে অবাধে চলাচল করতে দিতে পারি না কারণ তারা চিহ্নিত স্থানগুলি ছেড়ে দিলে তাদের ট্র্যাক করা আমাদের পক্ষে কঠিন হবে।

আবদুল হামিদ আরও উল্লেখ করেছিলেন যে কোনও সংক্রামিত অবৈধ অভিবাসী অন্য কোনও জায়গায় চলে যেতে এবং পরে একটি নতুন ক্লাস্টার শুরু করা হলে কর্তৃপক্ষের পক্ষে যোগাযোগের ব্যবস্থা করা কঠিন হবে।

তিনি আরও বলেন, আটককৃতদের মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (এমসিও) অপসারণ না করা পর্যন্ত সহজে পর্যবেক্ষণের জন্য এক জায়গায় রাখা হবে। অভিযানের সময় ইমিগ্রেশন বিভাগের প্রধান দাতুক খায়রুল দাজায়মি দাউদ উপস্থিত ছিলেন।

চলমান মুভমেন্ট কন্ট্রোলের মধ্যে এবং ১ লা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে অভিবাসী কর্মীদের আটকের ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে। নিন্দা জানিয়েছেন অনেক মানবাধিকার সংগঠন।
চলমান কোভিড -১৯ প্রাদুর্ভাব রোধ করতে, এই সময়ে আটকে রাখার জন্য পদক্ষেপগুলি প্রয়োজনীয়, কিন্তু এই প্রাদুর্ভাবকে প্রতিহত করতে অন্যদের মতো এই লোকগুলিও নিশ্চিত ভাবে সমান চ্যালেঞ্জ এর মুখোমুখি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এই গণ গ্রেফতার অযৌক্তিক এবং এটিই একমাত্র সমাধান নয় বলে মনে করছে মানবাধিকার সংস্থা।