মাজেদ ছিল তাদের অন্যতম, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছিল : তোফায়েল আহমেদ

0
113

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপ্টেন (অব.) আব্দুল মাজেদ গ্রেফতারে আজ বাঙালি উল্লাসিত ও আনন্দিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ।

বুধবার (৮ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুনঃ২১ থেকে ২৮ দিনের মধ্যে মাজেদের ফাঁসি কার্যকর

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে যারা হত্যা করে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছিল, একটি স্বপ্নকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল, ক্যাপ্টেন মাজেদ ছিল তাদের অন্যতম।

এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপ্টেন (অব.) আব্দুল মাজেদকে দুর্ধর্ষ প্রকৃতির লোক এমনটা জানিয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘সে একটা দুর্ধর্ষ প্রকৃতির লোক। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা ছাড়া যারা বিদেশে ছিলেন, বাকি সবাইকে হত্যা করে ফেলেছিল। এমনকি খুনি মাজেদ আমার এপিএস ১৯৭৩ ব্যাচের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শফিকুল আলম মিন্টু, তাকে গ্রেফতার করে, নির্যাতন করে তাকে হত্যা করে তার লাশ বুড়িগঙ্গা নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছে।’

এর আগে সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটায় মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পলাতক ছয় আত্ম-স্বীকৃত খুনির মধ্যে তিনি অন্যতম।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ৩৪ বছর পর এ হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে ২০০৯ সালের ১৯ নভেম্বর। খুব ধীরে দীর্ঘ বারো বছরে নিম্ন আদালত থেকে শুরু করে আইনের প্রতিটি ধাপ স্বচ্ছতার সঙ্গে অতিক্রম করে সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে স্বঘোষিত খুনিদের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়। মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত ১২ আসামির মধ্যে কারাবন্দী পাঁচ আসামির ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি দিবাগত রাতে ফাঁসি কার্যকর হয়। তারা হলেন সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, মুহিউদ্দিন আহমেদ, বজলুল হুদা ও এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ।