Bangladesh News Network

মগবাজারে ভবনের ধ্বংসাবশেষ থেকে মিলল কেয়ারটেকারের মরদেহ

0 3,252

মগবাজারে ভবনের ধ্বংসাবশেষ থেকে কেয়ারটেকার হারুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে দুদিন আগের বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮।

মঙ্গলবার বিকালে ফায়ার সার্ভিসের উপ পরিচালক দেবাশীষ বর্ধন ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের এ কথা জানান। বেলা সাড়ে ৩টা নাগাদ সিঁড়ির কাছে চিলেকোঠার ডেব্রিজ যেখানে তার নিচে চাপা পড়া অবস্থায় পেয়েছি।

মগবাজারের বিধ্বস্ত ভবনের কেয়ারটেকার হারুনুর রশিদের খোঁজ মিলছিলো না বিস্ফোরণের পর থেকে। বাবার ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে হন্যে হয়ে খুঁজছিলেন মেয়ে হেনা বেগম। এর মধ্যেই, মঙ্গলবার দুপুরে ভবনের ধ্বংসস্তুুপের নিচ থেকে হারুনুর রশিদের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।

এর আগে, প্রাণহানির ঘটনায় অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে সকালে রমনা থানায় অবহেলাজনিত মৃত্যুর মামলা করে পুলিশ। পুলিশ বলছে, ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ভবন মালিককে।

এদিকে শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন বিস্ফোরণে দগ্ধ তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, আর দুজনের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। এছাড়া ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন চারজনও সংকটমুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

বিধ্বস্ত বাড়ির পাশের একটি ক্ষতিগ্রস্ত দোতলা ভবনও পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। গত রোববার সন্ধ্যায় মগবাজারে তিনতলা ভবনের নিচতলায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ৮ জন নিহত এবং দুই শতাধিক আহত হন।

এর আগে গতকাল মগবাজারে ভয়াল বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত সাতজনের লাশ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। নিহতরা হলেন- কলেজ শিক্ষার্থী মোস্তাফিজুর রহমান (২৬), প্রাইভেটকারচালক স্বপন (৩৯), বাসচালক আবুল কাশেম মোল্লা (৪৫), বেসরকারি চাকরিজীবী রুহুল আমিন (৩০), শর্মা হাউজ রেস্তোরাঁর পাচক ওসমান গনি তুষার (৩৫), গৃহিণী জান্নাত (২৩) ও তার নয় মাসের মেয়ে সোবহানা।

রমনা পুলিশ জানায়, মোস্তাফিজুর, স্বপন, কাশেম মোল্লা ও রুহুল আমিনের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে হস্তান্তর করা হয়েছে। জান্নাত ও তার মেয়ের লাশ বিনা ময়নাতদন্তে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

Comments
Loading...
%d bloggers like this: