বন্দরে কনটেইনার আছে কিন্তু ভিতরে পণ্য নাই

0
200

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

চট্টগ্রাম বন্দরে নিরাপত্তা হেফাজতে থাকা কনটেইনার থেকে ২৬ হাজার ৩০০ কেজি ফেব্রিক্স কাপড় নিয়ে গেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। রবিবার (৩ মে) ওই কনটেইনারটির কায়িক পরীক্ষার সময় বিষয়টি ধরা পরে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার (এআইআর) নূর এ হাসনা সানজিদা অনসূয়া।

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের এআইআর শাখা সূত্রে জানা যায়, বন্দরের হেফাজতে থাকা একটি ৪০ ফুট কনটেইনারের সিল কেটে ২৬ হাজার ৩০০ কেজি ফেব্রিক্স কাপড় নিয়ে গেছে একটি চক্র। এটা করা হয়েছে কাস্টম হাউসে শুল্ককর পরিশোধের বিল অব এন্ট্রি ছাড়াই। আজ অডিট ইনভেস্টেগেশন অ্যান্ড রিচার্স (এআইআর) টিম কায়িক পরীক্ষাকালে কনটেইনারটি খালি পেয়েছে। কাস্টম হাউসের অনুমতি ছাড়া কনটেইনার থেকে এভাবে পণ্য গায়েবের খবরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায় , নগরের আগ্রাবাদ লাকি প্লাজা এলাকার সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান গত ১৯ এপ্রিল আর্ট কার্ডের একটি চালান খালাসের জন্য ৪টি গাড়ি বন্দরে প্রবেশ করে। এসময় প্রতিষ্ঠানটি অতিরিক্ত আরো ২টি গাড়ি বন্দরে ঢুকিয়ে ঢাকার সবুজবাগের কেমস ফ্যাশন লিমিটেডের নামে ১০০ ভাগ রফতানিমুখী পোশাক শিল্প কারখানার চীন থেকে আমদানী করা ৪০ ফুট দীর্ঘ কনটেইনারটির পণ্য নিয়ে যায়। এদিকে ওই দুটি গাড়ির একটি কাভার্ড ভ্যান ( ঢাকামেট্রো-ট-১৬-০৫৬৯) আটক করেছে চট্টগ্রাম বন্দর থানা পুলিশ।

কাস্টমসের সহকারী কমিশনার (এআইআর) নূর এ হাসনা সানজিদা অনসূয়া জানান, চুরি যাওয়া কনটেইনারটি আমদানিকারক কেমস ফ্যাশন লিমিটেডের। আইজিএম অনুযায়ী কনটেইনারটিতে ২৬ হাজার ৩০০ কেজি ফেব্রিক্সের ঘোষণা থাকলেও কায়িক পরিক্ষায় সেখানে কিছুই পাওয়া যায়নি।

মূলত, কায়িক পরীক্ষার সময় কনটেইনারটিতে আসল সিলের বদলে অন্য একটি সিল পাওয়া যায়। তখনি কনটেইনারের মালমাল চুরির বিষয়টি নজরে আসে। গত ৩ ফেব্রুয়ারি এমসিসি ডেনাং জাহাজে করে বন্দরে আসে কেমস ফ্যাশন লিমিটেডের এসব ফেব্রিক্স চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়।