প্রধানমন্ত্রীর ত্রান কমিটির নির্দেশনাঃ উপেক্ষিত হতে পারে অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠন

0
111

করোনাভাইরাসের এই দূর্যোগ ও মহামারীর সময় সমগ্র বাংলাদেশে ত্রানের সুসষম তালিকা ও বন্টন নিশ্চিত করতে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত প্রধানমন্ত্রীর একটি নির্দেশনা দেশের সকল ওয়ার্ড, ইউনিয়ন,পৌরসভা, উপজেলা ও জেলার আওয়ামীলীগসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের সভাপতি এবং সাঊারন াম্পাদকের কাছে ইতিমধ্যে প্রেরন করা হয়েছে।

উক্ত চিঠিতে তিনটি নির্দেশনায় প্রদান করা হয়েছে।

১। সারা দেশে ওয়ার্ড পর্যায়ে পর্যাপ্ত আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের সমন্বয়ে ত্রান কমিটি গঠন করতে হবে। সকল সাংগঠনিক উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ অতিদ্রুত ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ত্রান কমিটি গঠন করে সংশ্লিষ্ট জেলা শাখায় জমা দিতে হবে। এই ত্রান কমিটি ওয়ার্ড পর্যায়ে দলমত নির্বিশেষে প্রকৃত দরিদ্র, দুস্হ ও অসহায় মানুষের তালিকা প্রস্তুত করবে এবং ঐ তালিকা স্হানীয় প্রশাসনকে প্রদান করে সঠিক তালিকা প্রনয়নে সহায়তা করবে।

২। বর্তমানে ৫০ লক্ষ হতদরিদ্র, দুস্হ, অসহায় ও কর্মহীন খেটে খাওয়া মানুষকে সরকারিভাবে রেশন কার্ডের অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে এবং করোনা ভাইরাসে সৃষ্ট সংকটনের মোকাবেলায় আরও ৫০ লক্ষ মানুষকে রেশন কার্ডের আওতাভূক্ত করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি দল মত নির্বিশেষে সমাজের হতদরিদ্র, দুস্হ, অসহায় ও কর্মহীন খেটে খাওয়া মানুষ যাতে অর্ন্তভূক্ত হয় সে ব্যাপারে স্হানীয় প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করবে।

৩। আওয়ামী লীগের এই ত্রান কমিটি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে যথাযথ নির্দেশনা পালন, সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্হ্য বিধি মেনে চলার জন্য জনগনকে সচেতন করবে এবং মানবিক সংকটে মানুষের পাশে দাড়াবে। পাশাপাশি স্হানীয় আওয়ামী লীগের নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত ত্রান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এই তিনটি নির্দেশনাসহ উক্ত চিঠিটি সারাদেশে প্রেরন করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠন গুলোর নেতৃবৃন্দ এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাদের মূল্যায়িত করার জন্য।

পাশাপাশি তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, আওয়ামী লীগ কতৃক গঠন প্রক্রিয়াধীন ত্রান কমিটিতে উপেক্ষেিত হতে পারে সকল অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের স্হানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

কারন হিসেবে তারা অভ্যন্তরিন গ্রুপিং, ব্যক্তিতান্ত্রিক রাজনিতী ও স্হানীয় আওয়ামী লীগ নেতার মাইম্যান না হলে হয়তো অনেকে বাদ পড়তে পারেন এ কমিটি থেকে।

এ বিষয়ে কেন্দ্র ও জেলার শতর্ক দৃষ্টি কামনা করেছেন তারা।

তারা আরো আশংকা করেছে যে, হয়তো আওয়ামী লীগ এর ওয়ার্ড কমিটি দিয়েই হতে পারে এ ত্রান কমিটি। সেখানে অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের কাউকে না ডেকে কমিটি করা হতে পারে।

ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ, যুব মহিলা লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগের সমন্বয়ে সারা দেশে এ কমিটি গুলো করা হবে বলে তার আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।

তারা আরো বলেন, যদি কমিটিতে তারা কেউ অর্ন্তভূক্ত না ও থাকেন, তাতে সমস্যা নাই। কিন্তু এই মহামারীতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সকল দরিদ্র, দুস্হ ও অসহায় মানুষগুলো ত্রানের তালিকায় স্হান পেলেই তারা সবচেয়ে বেশি খুশি হবেন।

এখানে স্বজনপ্রিতী ও গ্রুপিং এর প্রসঙ্গ না টেনে মানব সেবাই যেন হয় একমাত্র ব্রত।