প্রধানমন্ত্রীর কাছে নড়াইল জেলা হাসপাতালে আইসিইউ প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন মাশরাফী

0
134

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় নড়াইল জেলা হাসপাতালে একটি ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং জাতীয় দলের ক্রিকেটার মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। রোববার, বরিশাল ও খুলনা বিভাগের জেলা প্রশাসনের সঙ্গে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি ও করণীয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিডিও কনফারেন্সে এ দাবি জানান মাশরাফী।

জেলা প্রশাসকের কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের ক্রিকেটার, মাননীয় সংসদ সদস্য মাশরাফী কিছু বলবে কিনা। তখন মাশরাফী বলেন, প্রথমেই স্মরণ করছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। মাননীয় প্রধামন্ত্রী আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য। আমি এখানে নবীন, অনেক অভিজ্ঞ নেতৃবৃন্দ আছেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে মাশরাফী বলেন, নড়াইল সদর হাসপাতালকে উন্নত করার জন্য আপনার দপ্তর থেকে চিঠি এসেছে। হাসপাতালের ২৫০ শয্যার কাজ চলছে। কিন্তু সেটি এখন পরিস্থিতির কারণে বন্ধ রয়েছে। জেলা পর্যায়ে যদি আপনি আইসিইউ করার সিদ্ধান্ত নেন, ইনশাল্লাহ আমাদের একটি আইসিইউ যদি এই সংকটে হয়, তাহলে আমাদের কার্যক্রমকে আরও সবলভাবে এগিয়ে নিতে পারবো।

এসময় করোনা মোকাবেলায় পুলিশের ভূমিকার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে মাশরাফী বলেন, ত্রাণ বিতরণ থেকে শুরু করে সব কাজ করছেন তারা। নড়াইলের পুলিশ সুপার অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। বাংলাদেশের দেশের পুরো পুলিশ বাহিনীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। নড়াইলেও তারা পরিশ্রম করছেন।

মাশরাফী টিসিবির চালের বরাদ্দ বাড়ানোর অনুরোধ করে বলেন, টিসিবির ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ হচ্ছিল আমরা ৯০০ কেজি করে পাচ্ছিলাম। সেটি কমিয়ে ৩০০ কেজি করা হয়েছে। আমাদের এখানে গরীব মানুষ বেশি। এটি বিবেচনায় সেটি যদি আরেকটু বাড়ানো যায়। পরিমাণ আরও বাড়ানোর দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, জনসংখ্যার বিচার করে নড়াইলের জন্য টিসিবির চাল আরও একটু বেশি এলে উপকৃত হবো।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, সামনে রোজা আছে। বরাদ্দ কমানো হচ্ছে না। সবকিছু হিসেব করে ধাপে ধাপে দেয়া হচ্ছে।

এর আগে নড়াইলের জেলা প্রশাসক জানান, নড়াইল জেলায় করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ চলছে। শুরু থেকেই জনসচেতনামূলক কর্মকাণ্ড, বিদেশ ফেরতদের বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করেছে। কমিটি গঠন করা হয়েছে যাতে মানুষ সচেতন হয়। বাজারগুলোকে বড় বড় মাঠে সামাজিক দূরত্ব মেনে করে দেওয়া হয়েছে।