Bangladesh News Network

পোশাকখাতে রপ্তানি আয় কমছে

0 5,418

বিজিএমইএ’র দেয়া পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রপ্তানিমুখী পোশাক খাত থেকে আয় এসেছিল ৪ হাজার ৫৪ কোটি ডলার। শতাংশের হিসাবে মোট রপ্তানির ৮৪.২১ শতাংশ। করোনার থাবায় এরপরের অর্থবছরে অন্যান্য শিল্পখাতের সঙ্গে গতি হারায় পোশাক খাতও। ২০১৯-২০ অর্থবছরে এসে এখাতের রপ্তানি আয় কমে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৩৬৭ কোটি ডলারে; মোট রপ্তানির আয়ের হিসাবে এখাতের অংশ ৮৩ শতাংশ। আর সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে এখাতের রপ্তানি আয় হয় ৩ হাজার ৮৭৬ কোটি ডলার; মোট রপ্তানি আয়ের ৮১.১৬ শতাংশ যুক্ত হয় এখাত থেকে।

করোনা মহামারিতে তাল হারানোর পর করোনাকালেই ১২.৫৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে আবারও রপ্তানি বাজারে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত। তবে, গেল তিন অর্থবছরের মোট রপ্তানি আয়ের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গেল দুই অর্থবছর ধরে কমছে এখাতের অংশ।

মাসভিত্তিক রপ্তানি আয়ের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গেল অর্থবছরে (২০২০-২১) ওভেন পোশাকের রপ্তানি আয় শেষ তিন মাসে বেড়েছে বেশ বড় প্রবৃদ্ধি নিয়ে। গেল এপ্রিল ওভেন পোশাকের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫০৪.০৭ শতাংশ। মে ও জুনে হয়ে যথাক্রমে ৯১.৩৬ ও ২০.৬৩ শতাংশ করে।

আর এতে ভর করেই বছর ব্যবধানে এ ধরনের পোশাকের রপ্তানি আয় বেড়েছে ৩.২৪ শতাংশ। ওভেনের রপ্তানি আয় হয়েছে ১ হাজার ৪৫০ কোটি ডলার। উল্লেখ্য, গেল অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসই নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির কবলে আটকে ছিল ওভেন পোশাক।

তবে, এই করোনাকালে তুলনামূলক ভালো অবস্থানে রয়েছে নীট পোশাকের রপ্তানি আয়। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে মাত্র দুই নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির হিসাব কষতে হয়েছে নীট পোশাক রপ্তানিকারকদের।

অক্টোবর ও ডিসেম্বর বাদে গেল ১২ মাসের ১০ মাসেই ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি নিয়ে শেষ হয়েছে এখাতের অর্থবছর। বছর ব্যবধানে প্রবৃদ্ধিও হয়ে ২১.৯৪ শতাংশ। গেল ১২ মাসে নীটের মোট রপ্তানি আয় হয়েছে ১ হাজার ৬৯৬ কোটি ডলার।

Comments
Loading...
%d bloggers like this: