পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত দেশের সব ঘরোয়া টুর্নামেন্ট স্থগিত : জাহিদ আহসান রাসেল

0
111

পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত দেশের সব ঘরোয়া টুর্নামেন্ট স্থগিত করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। এ তথ্য জানান যুব ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

এদিকে, খেলা বন্ধ থাকায় আর্থিক ক্ষতির মুখে বিভিন্ন ফেডারেশনের খেলোয়াড়রা। পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

মুজিব বর্ষের এই সময়টায় সরগরম থাকার কথা ছিল দেশের সব কটি মাঠ। জাতির পিতার জন্ম শতবর্ষ উৎযাপন উপলক্ষ্যে ১০০টি খেলা মাঠে গড়ানোর কথা দিয়েছিল যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। কিন্তু বিধি বাম। করোনার চোখ রাঙ্গানিতে হ্যাপিত্যেশ নগরজীবন, বন্ধ দেশের সব ক্রীড়া ইভেন্ট।

এর আগে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সব ঘরোয়া টুর্নামেন্ট স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছিলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। সময় সংবাদের মাধ্যমে দেশবাসীকে জানালেন, স্থগিতাদেশ বেড়েছে অনির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত।

মন্ত্রী বলেন, লকডাউন যতদির চলবে, ততদিন সবধরণের খেলা স্থগিত।

এক ক্রিকেট আর কিছু ফুটবল খেলোয়াড় ছাড়া বড় পারিশ্রমিক পান না অন্য ডিসিপ্লিনের খেলোয়াড়রা। কোনো কোনো ডিসিপ্লিনের খেলোয়াড়দেরতো তো নুন আনতে পান্তা ফুরোয় অবস্থা।

ফেডারেশনের কোচ ও খেলা সংশ্লিষ্ট মাঠ কর্মীদের অবস্থা আরও করুণ। বিপদের এই দিনে আশার বানী শোনালেন ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। পরস্থিতি খারাপের দিকে গেলে প্রধানন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে খেলোয়াড়দের আর্থিক সহায়তার আশ্বাসও দিলেন রাসেল।

তিনি বলেন, পরিস্থিতি বুঝে অবশ্যই তাদের সহায়তা করবো আমরা। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আমরা তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করবো।

দুঃসময় ফুরোবার নয়। লকডাউনের সময় সীমা আবারো বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে একদিন অন্ধকার কেটে গিয়ে নতুন ভোর হবে। সে পর্যন্ত খেলোয়াড়দের ধৈর্য্য ধরতে বললেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, আপনি নিরাপদে থাকুন, তাহলে আমরা সবাই নিরাপদে থাকবো। সবার কাছে অনুরোধ আপনারা বাসায় থাকুন।

দুর্দিনে দেশের অসচ্ছ্বল ১০০০ ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট মানুষকে শিগগিরই আর্থিক সহোযোগিতা দিবে বলেও জানায় মন্ত্রণালয়।

পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত দেশের সব ঘরোয়া টুর্নামেন্ট স্থগিত করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। সময় সংবাদকে এ তথ্য জানান যুব ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

এদিকে, খেলা বন্ধ থাকায় আর্থিক ক্ষতির মুখে বিভিন্ন ফেডারেশনের খেলোয়াড়রা। পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

মুজিব বর্ষের এই সময়টায় সরগরম থাকার কথা ছিল দেশের সব কটি মাঠ। জাতির পিতার জন্ম শতবর্ষ উৎযাপন উপলক্ষ্যে ১০০টি খেলা মাঠে গড়ানোর কথা দিয়েছিল যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। কিন্তু বিধি বাম। করোনার চোখ রাঙ্গানিতে হ্যাপিত্যেশ নগরজীবন, বন্ধ দেশের সব ক্রীড়া ইভেন্ট।

এর আগে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সব ঘরোয়া টুর্নামেন্ট স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছিলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। সময় সংবাদের মাধ্যমে দেশবাসীকে জানালেন, স্থগিতাদেশ বেড়েছে অনির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত।

মন্ত্রী বলেন, লকডাউন যতদির চলবে, ততদিন সবধরণের খেলা স্থগিত।

এক ক্রিকেট আর কিছু ফুটবল খেলোয়াড় ছাড়া বড় পারিশ্রমিক পান না অন্য ডিসিপ্লিনের খেলোয়াড়রা। কোনো কোনো ডিসিপ্লিনের খেলোয়াড়দেরতো তো নুন আনতে পান্তা ফুরোয় অবস্থা।

ফেডারেশনের কোচ ও খেলা সংশ্লিষ্ট মাঠ কর্মীদের অবস্থা আরও করুণ। বিপদের এই দিনে আশার বানী শোনালেন ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। পরস্থিতি খারাপের দিকে গেলে প্রধানন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে খেলোয়াড়দের আর্থিক সহায়তার আশ্বাসও দিলেন রাসেল।

তিনি বলেন, পরিস্থিতি বুঝে অবশ্যই তাদের সহায়তা করবো আমরা। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আমরা তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করবো।

দুঃসময় ফুরোবার নয়। লকডাউনের সময় সীমা আবারো বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে একদিন অন্ধকার কেটে গিয়ে নতুন ভোর হবে। সে পর্যন্ত খেলোয়াড়দের ধৈর্য্য ধরতে বললেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, আপনি নিরাপদে থাকুন, তাহলে আমরা সবাই নিরাপদে থাকবো। সবার কাছে অনুরোধ আপনারা বাসায় থাকুন।

দুর্দিনে দেশের অসচ্ছ্বল ১০০০ ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট মানুষকে শিগগিরই আর্থিক সহোযোগিতা দিবে বলেও জানায় মন্ত্রণালয়।