নীলফামারীতে শশা ২শ টাকা, টমেটো ২শ’ টাকা,বেগুন ৫০ টাকা মণ

0
120

নীলফামারীর সবজি জেলার চাহিদা মিটিয়েও দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলে যেত। লকডাউনের কারণে পাইকাররা সবজি বাহিরে নিয়ে যেতে পারছেন না। ফলে বেশির ভাগ সবজি জমিতেই নষ্ট হচ্ছে। ফলে চাষিরা চরম হতাশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। পানির দামে বিক্রি হচ্ছে সব রকমের সবজি।

পাইকারি বাজারে বিভিন্ন সবজির দাম- লম্বা বেগুন ৫০ টাকা মণ, টমেটো ২শ’ টাকা মণ, করোলা ১৫০ টাকা মণ, শশা ২শ’ টাকা মণ, কাচা মরিচ ৮ শ’ মণ, যে কোন ধরনের শাক ২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

নীলফামারী জেলার অর্থকরী সবজি হচ্ছে বেগুন, করোলা, টমেটো, চালকুমড়া ও কাঁচামরিচ। এবার জেলায় গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৪০২ হেক্টর জমি। সবজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬৮ হাজার ৩ শত ৮০ মেট্রিক টন। এবার ফলনও হয়েছে ভাল। কিন্তু করোনা চাষিদের ভাগ্য উলট পালট করে দিল। লাভ তো দূরের কথা, জমিতে সবজি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আবার অনেকে বাজারে এনে দাম না পেয়ে ফেলে দিয়ে যাচ্ছে।

নীলফামারী সদরের তিলাই জয়চন্ডি গ্রামের নিরাপদ সবজি চাষি হাবিবুর রহমান, তারেক আহমেদ, মহন্ত দাস, শওকত বলেন, অনেক আশা করে নিরাপদ সবজি চাষ করেছিলাম, উৎপাদনও ভাল হয়েছে। কিন্তু করোনা সব আশা নষ্ট করে দিল। উৎপাদন খরচও ঘরে তুলতে পারবো না।

জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা ওবায়দুর রহমান বলেন, এবার জেলায় সবজির খুব ভাল ফলন হয়েছিলো। কিন্তু দুর্যোগ সব নষ্ট করে দিল।