কিম মারা গেছেন ?

0
165

উত্তর কোরিয়ার স্বৈরশাসক কিম জং উন মারা যাওয়ার গুজব প্রকাশ।

হংকংয়ের একটি সম্প্রচার নেটওয়ার্কের মতে কিম জং উন মারা যাওয়ার গুজব ছড়িয়েছে, যখন জাপানের একটি ম্যাগাজিন জানিয়েছে যে এই মাসের শুরুর দিকে হার্টের অস্ত্রোপচারের পরে উত্তর কোরিয়ার রকেট মানুষটি “গুরুতর অসুস্হ” রয়েছে।

হংকংয়ের বেইজিং-সমর্থিত সম্প্রচার নেটওয়ার্ক এইচকেএসটিভি হংকং স্যাটেলাইট টেলিভিশনের একজন ভাইস ডিরেক্টর দাবি করেছেন যে, খুবই বিশ্বস্হ একটি সুত্র জানিয়েছে, কিম মারা গিয়েছেন।

ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনা বার্তাগুলি অ্যাপ ওয়েইবোতে তার পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচার হয়েছে।

বেইজিংয়ের সিনিয়র দলীয় সূত্রগুলিকে অন্য অনানুষ্ঠিত প্রতিবেদনে বলছে যে, চিকিৎসককে সামরিক হুমকি দেয়ায় আতঙ্কিত হয়ে একটি অপারেশন ভুল হয়েছে। কারণ সার্জনের হাত খুব খারাপভাবে কাপছিলো।

তবে এখনো কোন নির্ভরযোগ্য সুত্র বা উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে তেমন কোন বার্তা দেওয়া হয়নি। বিশেষ করে আমেরিকান মিডিয়াগুলোতে এ গুজবটি ভাইরাল হয়েছে।

তবে কিম যে গুরুতর অসুস্হ, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে।

অত্যন্ত গোপনে একটি হাসপাতালে শুধুই কিম জং উনের চিকিত্‍সা হয়! হার্টের জন্য ওই হাসপাতালটি উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে নামী হাসপাতাল৷ দেশের সেরা ডাক্তাররা ওই হাসপাতালে চিকিত্‍সা করছেন কিমের৷

দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, কিম জং উনের যে হাসপাতালে চিকিত্‍সা চলছে, তা অত্যন্ত অত্যাধুনিক৷ ওই হাসপাতালটিতে শুধুমাত্র কিম জং উন ও তার পরিবারেরই চিকিত্‍সা করা হয়৷ অন্য কারও চিকিত্‍সা হয় না৷

উত্তর কোরিয়ার একনায়ক শাসক কিম জং উনের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক৷ মার্কিন গোয়েন্দা দফতরের খবরের জেরে কিমের স্বাস্থ্য নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে গোটা বিশ্বে৷ যদিও উত্তর কোরিয়া থেকে কোনো খবর বহির্বিশ্বে বের হয় না সাধারণত, তাই কিম এখন ঠিক কেমন আছেন, তা সঠিক ভাবে বোঝা যাচ্ছে না৷

হাসপাতালটির নাম হ্যাং সান হাসপাতাল৷ রাজধানী পিয়ংইয়ং থেকে দেড়শো কিমি দূরে৷ ১৯৯৪ সালে তৈরি করা হয় হাসপাতালটি৷ কিম জং উনের পিতামহ কিম জং ইলের মৃত্যুর পরে৷ মৃত্যুর সময় কিম জং ইল হ্যাং স্যানেই ছিলেন৷ তাই কিমের বিশ্বাস, ওই জায়গায় হাসপাতালে তাঁর চিকিত্‍সা হলে দাদু তাঁকে রক্ষা করবেন৷

এছাড়াও রাজধানী থেকে দূরে হওয়ায় কিম ও তার পরিবারের গতিবিধি কেউ নজরে রাখতে পারবে না৷ দেশের মানুষও নয়৷ কিমের হার্টের যিনি জটিল অস্ত্রোপচার করছেন যে ডাক্তার, তিনি বিদেশ থেকে পাশ করেছেন৷ তাকে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মুড়ে ফেলা হয়েছে৷