করোনায় মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ৫ হাজার : আক্রান্ত ১৭ লাখ ২৭ হাজার

0
165

করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ৫ হাজার ছাড়ালো। আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৭ লাখ ২৭ হাজার। সংক্রমণ বাড়তে থাকায় এখনই লকডাউন শিথিলে ভয়াবহ বিপর্যয় দেখা দিতে পারে বলে শঙ্কা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার। ব্রিটেনে নতুন করে প্রাণ গেছে ৯১৭ জনের। শুক্রবার রেকর্ড দু’হাজারের বেশি প্রাণহানি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। যদিও ভাইরাসের বিস্তার মার্কিন ভূখণ্ডে স্থিতিশীল পর্যায়ে যাচ্ছে বলে দাবি প্রশাসনের।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, প্রতিটি মৃত্যু দুঃখজনক। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রাণহানি এক লাখের নিচে রাখাই সুখবর। শুরুতে এক থেকে আড়াই লাখ মানুষ মারা যাবে বলে মনে করা হলেও, এখন এ সংখ্যা ৭০ হাজারে নেমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভাইরাসের বিস্তার এরই মধ্যে ঊর্ধ্বমুখী থেকে স্থিতিশীল পর্যায়ের দিকে। অর্থাৎ আমাদের গৃহীত ব্যবস্থাগুলো কাজ করছে।

ইউরোপের দেশগুলোতে সবমিলিয়ে প্রাণহানি ৭৫ হাজার। আক্রান্ত প্রায় ১০ লাখ। ফ্রান্স-যুক্তরাজ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে চললেও, মৃত্যু কিছুটা কমেছে ইতালি-স্পেনে। তবে, পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে, এমনটা ভেবে, এখনই কোথাও লকডাউন শিথিল না করার তাগিদ দিয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম বলেন, অনেক দেশই চলাচলে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে চাইছে। কিন্তু এখনই বিধিনিষেধ প্রত্যাহার আরও ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। মহামারি ঠেকাতে বা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারার একমাত্র কারণ হলো দুর্বল ব্যবস্থা। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের যুগেও কোনো দেশই যে রোগ প্রতিরোধে সক্ষম নয়, তা এ দুর্যোগে প্রমাণিত।

এদিকে, মস্তিষ্কে ফ্লু-ধর্মী ভাইরাসটির দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়তে পারে কিনা, তা নিয়ে গবেষণা শুরু করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ভাইরাসে আক্রান্ত কিছু রোগীর নিউরোলজিক্যাল সমস্যা এরই মধ্যে নিশ্চিত করেছে চীন।