Bangladesh News Network

কঠোর বিধি-নিষেধে গার্মেন্টস খোলা রাখতে আবেদন

0 4,242

বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) সংবাদমাধ্যমকে ফরহাদ হোসেন জানান, গার্মেন্টস ও শিল্প কলকারখানার বিষয়ে আপাতত কোনো সিদ্ধান্ত নাই। অবস্থা পরিবর্তন হলে চিন্তাভাবনা করা যাবে। তবে সেটা এ মাসের ভেতরে না।

কোভিড-১৯ সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনা করে গার্মেন্টস ও রপ্তানিমুখী শিল্প কারখানা খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

তবে, সেটা এখনই নয়। কঠোর বিধি-নিষেধে গার্মেন্টস ও রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা খোলা রাখতে এফবিসিসিআই ও বিজেএমইএ’র আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ কথা জানান তিনি।

দেশে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় চলতি মাসের ১ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত সারা দেশে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করে সরকার। এরপর ঈদুল আজহা উপলক্ষে শিথিল করা হয় বিধি-নিষেধ। তবে ঘোষণা দেওয়া হয় ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে দেশব্যাপী কঠোর বিধি-নিষেধের।

সে অনুযায়ী ঈদের দুদিন পর শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়ে আগামী ৫ আগস্ট দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত বিধিনিষেধের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার দুপুরে এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সংবাদমাধ্যমকে জানান, করোনা নিয়ন্ত্রণে ২৩ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ১৪ দিনের কঠোর বিধি-নিষেধ আগের চেয়ে কঠোর হবে।

ঈদুল আজহার আগে রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস বন্ধ থাকলে অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়বে এমন যুক্তি দেখিয়ে বিজিএমএই প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব বরাবর চিঠি দেয়।

পরে একই যুক্তিতে শিল্পকারখানা খুলে দেওয়ার দাবি জানায় দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।

এদিকে মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু কিছুটা বেড়েছে। এই সময়ে আরও ১৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৬৮৫ জনে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৯৭ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১১ লাখ ৪০ হাজার ২০০ জনে।

Comments
Loading...
%d bloggers like this: