Bangladesh News Network

আবারও পর্দায় ফিরেছেন সুমাইয়া শিমু

0 5,502

শোবিজের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী সুমাইয়া শিমু। ১৯৯৯ সালে টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে অভিষেক হয় তার। ভিন্ন চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করে দর্শকহৃদয় জয় করে নিয়েছিলেন তিনি। অনেকগুলো হিট নাটক উপহার দিয়েছেন দর্শকদের।

অভিনয় ক্যারিয়ারে প্রায় তিনবছর বিরতি কাটিয়ে আবারও পর্দায় ফিরেছেন এ অভিনেত্রী। অভিনয় করেছেন মোস্তফা কামাল রাজের রচনা ও পরিচালনায় একটি ঈদের নাটকে। ‘লাইফ লাইন’ শিরোনামের নাটকটিতে শিমুর বিপরীতে অভিনয় করেছেন মুশফিক ফারহান।

দীর্ঘ সময় পর ফেরার এবং বিভিন্ন প্রসঙ্গে শনিবার (৩ জুলাই) সময় নিউজের সঙ্গে কথা বলেছেন সুমাইয়া শিমু। আলাপের চুম্বক অংশটুকু পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

লম্বা সময় পর লাইট-ক্যামেরার সামনে ফিরলেন?

ভালো লাগছে, অনেক ভালো লাগছে। আমি আসলে ক্যামেরার সামনেই অনেক কমর্ফোটেবল। ক্যামেরার সামনে থাকতে ভালো লাগে। এ জন্য অনেকদিন পর ফিরলাম এমনটা মনে হয়নি। মনে হচ্ছে, এইতো কালকেই শট দিলাম। কাজ করার পর মনে হয়েছে, নিজের জায়গায় ফিরলাম। নিজের ঘরে ফিরলাম।

বিরতিতে নিয়েছিলেন কেন?

সবাই আমাকে এই প্রশ্নটাই করছে। হা হা হা! আসলে বিরতিতে যাওয়ার কোনো আলাদা কারণ নেই। সবকিছু মিলেই হয়তো কাজ করা হয়নি। এ সময়টাতে আমি দেশেই ছিলাম। অনেকে ভেবেছে আমি বিদেশে চলে গিয়েছিলাম। কিন্তু আমি দেশেই ছিলাম। বলি তাহলে, ভবিষ্যতেও আমার দেশের বাইরে স্থায়ী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই।

তিন বছরে বাংলা নাটকের কী পরিবর্তন চোখে পড়েছে?

বিরতির সময়টাতে আমি কাজ না করলেও নাটকের খোঁজ খবর রাখার চেষ্টা করেছি। নাটকের মানুষ হিসেবেই আমি খোঁজ খবর রাখার চেষ্টা করেছি। আমার মনে হয়েছে, ওটিটি বড় একটা পরিবর্তন। আগে তো আমরা টিভিতেই কাজগুলো দেখতে পেতাম। এখন অনেক বড় একটা প্ল্যাটফর্ম, সারা বিশ্বের জন্য।

ওটিটিকে কেমন ভাবে দেখছেন?

আমি বেশ পজিটিভ ভাবেই দেখছি। এখন অনেক ভালো গল্পের কাজ হচ্ছে, ভালো প্ল্যাটফর্মের জন্য কাজ হচ্ছে। টিভিকে বলা হতো ইরেজ মিডিয়া। একবার প্রচার হওয়ার পর শেষ। কিন্তু এখন সেটা নেই। এখন আপনি ইচ্ছা হলেই অনলাইন মাধ্যমে নাটক দেখতে পারছেন। এটি বেশ ভালো পরিবর্তন হয়েছে। আমরাতো দর্শকদের জন্য কাজ করি। আর দর্শক নতুন মাধ্যমে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। টিভির পাশাপাশি ওটিটি দর্শকদের অনেক চাহিদা পূরণ করছে।

লকডাউনের সময় কীভাবে পার করছেন?

পুরোপুরি ঘরবন্দি। নতুন নাটকে কাজ করার পর অনেকে যোগাযোগ করেছে। কিন্তু আমি এখন আর কাউকে কথা দিতে পারছি না। লকডাউন কিন্তু বেশ কড়াকড়িভাবেই হচ্ছে। আসলে হওয়া উচিত। আমাদের স্বার্থের জন্যই কড়া হওয়া দরকার। পরিস্থিতি বুঝে যদিও সুযোগ পাই তাহলে আবার কাজ করব।

ঈদে আর কী থাকবে?

ঈদের তো বেশিদিন নেই। তার মধ্যে আবার লকডাউন চলছে। অনেকেই আমাকে বলছে, তো আমি এখনো জানি না। আসলে শুটিং না করা পর্যন্ত বলতে পারছি না। দেশের পরিস্থিতি আর সব মিলিয়ে যদি সম্ভব হয় তাহলে হয়তো ঈদের আগে দুই-একটি কাজ করব।

Comments
Loading...
%d bloggers like this: